এনজিও/ ফাউন্ডেশন/ ট্রাস্ট
অনুমোদন প্রসেসিং
আমাদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সংগঠনের সাথে জড়িত, বিভিন্ন সামাজিক বা সেবামূলক কাজ করে থাকেন। সমিতি, সোসাইটি, সংগঠন, ফাউন্ডেশন, বা ট্রাস্ট সবই প্রায় একইরকম পদ্ধতিতে নিবন্ধন করতে হয়।
ফাউন্ডেশন ও সোসাইটি: ফাউন্ডেশন সাধারনত চ্যারিটেবল পারপাসে গঠন করা হয়ে থাকে, অনেক সময় মৃত ব্যক্তির নামেও করা হয়ে থাকে। সোসাইটি সাধারনত জনসেবা মূলক কাজ এবং অলাভজনক, অরাজনৈতিক সামাজিক কাজের উদ্দেশ্যে গঠন করা হয় (যেমন- বাল্য বিবাহ রোধ, বৃক্ষরোপন, অসহায়দের সাহায্য ইত্যাদি)।
ট্রাস্টের ক্ষেত্রে একটু ভিন্নতা রয়েছে, ট্রাস্টের নামে জমি হস্তান্তর এবং ট্রাস্টি নিয়োগ, ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের ব্যাপার-স্যাপার রয়েছে।
নিবন্ধন পাওয়ার দুইটি রাস্তা
একটা সোসাইটি বা ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন পাওয়ার প্রধান দুইটি রাস্তা রয়েছে:
সমাজ সেবা অধিদপ্তর
সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নিবন্ধন নেওয়া যায়।
আরজেএসসি (RJSC)
রেজিস্টার অফ জয়েন্ট স্টক কোম্পানীস্ এন্ড ফার্মস্ থেকে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন এ্যাক্ট- ১৮৬০ অনুযায়ী নিবন্ধন নেওয়া।
আরজেএসসি থেকে নিবন্ধনের ৫টি ধাপ
আরজেএসসি থেকে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন এ্যাক্ট- ১৮৬০ এবং অন্যান্য এস আর ও, আইন ও বিধি অনুযায়ী সোসাইটি ও ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন দেওয়া হয়ে থাকে। নিচে এর ধাপগুলো বর্ণনা করা হলো:
প্রথম ধাপ- নামের ছাড়পত্র
প্রথমে একটি নামের ছাড়পত্র নিতে হবে। নামটি ইউনিক হতে হবে (অন্য কেউ এই নাম পূর্বে ব্যবহার করেনি)। অন্য কোন সংগঠনের নামের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হতে পারবেনা। নামের শেষে সোসাইটি, সমিতি বা ফাউন্ডেশন শব্দটি থাকলে ভালো হয়।
২য় ধাপ- গঠনতন্ত্র প্রস্তুত করা
সংগঠনের জন্য একটি গঠনতন্ত্র, সংবিধান বা মেমোরান্ডাম অফ এ্যাসোসিয়েশন তৈরি করতে হবে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস।
- মিশন-ভিশন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য স্পষ্ট থাকতে হবে।
- মিনিমাম ৭ জন সদস্য থাকতে হবে।
- এজিএম (AGM), ইজিএম কবে হবে, কোরাম, ওয়াইন্ডিং-আপ পদ্ধতি উল্লেখ থাকতে হবে।
৩য় ধাপ- ফিস ও ডকুমেন্ট জমা
নির্ধারিত কোডে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন ফিস, ফাইলিং ফিস ও ভ্যাট জমা দিতে হবে এবং জমার রশিদ সহ অন্যান্য ডকুমেন্ট আরজেএসসিতে আবেদন করতে হবে।
চতুর্থ ধাপ- তদন্ত রিপোর্ট
সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে, আরজেএসসি এটি তদন্ত করার জন্য এন এস আই (NSI) এর বরাবরে লেটার পাঠাবে। এনএসআই তদন্ত করে কমিটি মেম্বার বা উদ্যোক্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। তদন্ত শেষে রিপোর্ট আরজেএসসিতে পাঠানো হবে।
৫ম এবং শেষ ধাপ
এন এস আই এর রিপোর্ট পজিটিভ থাকলে আরজেএসসি অনুমোদন দিবে এবং “সার্টিফিকেট অফ ইন-করপরেশন” ইস্যু করবে। এর অর্থ হলো, আপনি এখন আপনার সামাজিক বা সেবামূলক কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।
যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে আমরা আছি
এনজিও/ ফাউন্ডেশন/ ট্রাস্ট অনুমোদন প্রসেসিং করতে ফারহান এন্ড কোম্পানি লিমিটেড-এর সেবা গ্রহণ করে খুব সহজে ঘরে বসেই সকল তথ্যাদি প্রস্তুত করতে পারবেন। আপনার পক্ষ হয়ে আমরা যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্নে কাজ করবো।